জেলা তৃণমূল সভাপতি ও মহিলা সভানেত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা
দি নিউজ লায়নঃ 18 ই জুলাই কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। একই সাথে ২২ জুলাই ভোরবেলা কোচবিহার জেলা তৃণমূল মহিলা সভাপতি সুচিস্মিতা দত্ত শর্মার ওপর হামলা হয়। এই দুই ঘটনার তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পরপর দুটি অপারেশন চালিয়ে বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করল কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ্যে না আনলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, মোট 11 জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন যারা পার্থ প্রতিম রায় এর বাড়ির উপরে হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলা সভাপতির বাড়ির উপরে হামলার ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজনৈতিক সূত্রে তারা দিনহাটা ভেটাগুড়ি বাসিন্দা, এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। যদিওবা এই ঘটনায় কোচবিহার জেলা বিজেপির তরফ থেকে কোনো রকম মন্তব্য পাওয়া যায়নি। একইসাথে বৃহস্পতিবার পানশালার ঘটনায় আহত সুচিস্মিতা দত্ত শর্মার অভিযোগের ভিত্তিতে মোট 18 জনকে আটক করা হয়েছিল। এদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ 9 জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। পুলিশের অনুমান এই দুইটি ঘটনায় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এবং ঘটনার মাস্টারমাইন্ড অন্য কেউ রয়েছে।
যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা বেশিরভাগই স্থানীয় মাস্তান বলে পরিচিত। কোচবিহার জেলা যুব মোর্চার কনভেনার দীপঙ্কর চক্রবর্তী কেউ ঘটনায় গ্রেপ্তার করেছে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ। যদিও বা দীপঙ্করের দাবি তিনি নিজেই এসে ধরা দিয়েছেন পুলিশের হাতে। ঘটনা জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় মন্তব্য করে বলেন, যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তার বেশির ভাগই বিজেপি আশ্রিত গুন্ডাবাহিনী। সুতরাং কারা আক্রমণ চালিয়েছে এই দিকটা পরিষ্কার। কোচবিহার জেলা পুলিশ প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের আস্থা রয়েছে, আশা করব দ্রুত এই ঘটনার পেছনে যারা মদত দিয়েছে তারা ও আইনের হাতে ধরা পড়বে।

Post a Comment